ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় MCQ অংশে সাধারণত নেগেটিভ মার্কিং থাকে। ভুল উত্তর দিলে নম্বর কেটে যায়। তাই সঠিক কৌশল না জানলে ভালো প্রস্তুতি থাকলেও ক্ষতি হতে পারে। নিচে করণীয়গুলো দেওয়া হলো।
১. নেগেটিভ মার্কিং কী?
সাধারণত প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য নির্দিষ্ট নম্বর কেটে নেওয়া হয় (যেমন ০.২৫)। সঠিক উত্তর না জানলেও উত্তর দিলে ঝুঁকি বাড়ে।
২. নেগেটিভ মার্কিং থাকলে মূল কৌশল
১. নিশ্চিত উত্তর আগে দিন যেসব প্রশ্নের উত্তর পুরোপুরি নিশ্চিত, সেগুলো আগে সমাধান করুন।
২. অনিশ্চিত প্রশ্ন এড়িয়ে চলুন দুইয়ের বেশি অপশনে দ্বিধা থাকলে উত্তর না দেওয়াই ভালো।
৩. এলিমিনেশন পদ্ধতি ব্যবহার করুন কিছু অপশন বাদ দিতে পারলে এবং একটির প্রতি বেশি আত্মবিশ্বাস থাকলে উত্তর দেওয়া যায়।
৪. অনুমান করে উত্তর দেবেন না পুরোপুরি না জানা প্রশ্নে র্যান্ডম উত্তর দিয়ে ঝুঁকি নেবেন না।
৫. সময় নষ্ট করবেন না কঠিন প্রশ্নে আটকে না থেকে পরের প্রশ্নে যান। পরে সময় থাকলে ফিরে আসুন।
৩. কখন উত্তর দেওয়া উচিত?
- উত্তর সম্পর্কে ৭০–৮০% নিশ্চিত হলে
- দুটি অপশন বাদ দিয়ে একটির দিকে ঝুঁকলে
- প্রশ্নটি আগে দেখা বা অনুশীলন করা হয়ে থাকলে
৪. কখন উত্তর দেওয়া উচিত নয়?
- চারটি অপশনই সমান মনে হলে
- প্রশ্নটি একদমই বুঝতে না পারলে
- সময় শেষ হওয়ার মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে উত্তর দিলে
৫. প্র্যাকটিসের সময় যা করবেন
- নেগেটিভ মার্কিং ধরে মডেল টেস্ট দিন
- কতগুলো প্রশ্ন ফাঁকা রাখছেন তা হিসাব করুন
- ভুল উত্তরের ধরন বিশ্লেষণ করুন
- আত্মবিশ্বাসের মাত্রা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস গড়ুন
৬. পরীক্ষার দিনের টিপস
- প্রথমে সহজ ও নিশ্চিত প্রশ্নগুলো শেষ করুন
- সন্দেহযুক্ত প্রশ্ন মার্ক করে রাখুন
- শেষে সময় থাকলে শুধু সেগুলো রিভিউ করুন
- জোর করে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন না
উপসংহার: নেগেটিভ মার্কিং থাকলে সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো—সঠিক উত্তরকে প্রাধান্য দেওয়া এবং অজানা প্রশ্ন এড়িয়ে চলা। কম প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েও ভালো নম্বর তোলা সম্ভব, যদি ভুল উত্তর কম হয়। স্মার্ট সিদ্ধান্তই সাফল্য এনে দেয়।
আপনি কোন ইউনিটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন? কমেন্টে জানান। আরও নির্দিষ্ট কৌশল দিতে পারি।
নেগেটিভ মার্কিংকে কৌশলে মোকাবিলা করুন! ✨

































