ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ভর্তিতে সাধারণ মেধা তালিকার পাশাপাশি কিছু আসন কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকে। সাম্প্রতিক নীতি অনুযায়ী কোটার পরিমাণ সীমিত করা হয়েছে। নিচে বর্তমান কোটা সিস্টেম সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হলো।
১. মোট কোটা আসন
ঢাবিতে মোট আসনের ৮% বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকে।
২. কোটাভিত্তিক ভাগ
| কোটার ধরন | সংরক্ষিত আসন |
|---|---|
| বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান | ৫% |
| ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী / উপজাতি | ১% |
| হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় | ১% |
| প্রতিবন্ধী প্রার্থী | ১% |
| মোট | ৮% |
৩. কোটার যোগ্যতা ও প্রমাণপত্র
মুক্তিযোদ্ধা কোটা
- বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতে হবে
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র প্রয়োজন
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা
- সরকারিভাবে স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য হতে হবে
- সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সনদপত্র লাগবে
হরিজন ও দলিত কোটা
- নির্ধারিত সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে প্রমাণপত্র প্রয়োজন
প্রতিবন্ধী কোটা
- সরকারিভাবে স্বীকৃত প্রতিবন্ধী সনদপত্র থাকতে হবে
৪. কোটায় আবেদন প্রক্রিয়া
- অনলাইন আবেদনের সময় সংশ্লিষ্ট কোটার অপশন সিলেক্ট করতে হয়
- প্রয়োজনীয় সনদপত্রের তথ্য দিতে হয়
- পরে নির্ধারিত সময়ে মূল সনদপত্র জমা দিতে হয়
- কোটায় আবেদন করলেও ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়
- কোটার আসন মেধাক্রম অনুযায়ী পূরণ করা হয়
৫. গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- কোটায় আবেদন করলে সাধারণ মেধা তালিকায়ও বিবেচিত হতে পারেন (নিয়ম অনুযায়ী)
- সনদপত্র সঠিক ও বৈধ না হলে কোটা বাতিল হতে পারে
- কোটার আসন পূরণ না হলে তা সাধারণ আসনে চলে যেতে পারে
- প্রতি বছরের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত নিয়ম দেখা জরুরি
৬. সতর্কতা
- ভুয়া সনদপত্র ব্যবহার করবেন না
- আবেদনের সময় সঠিক কোটা সিলেক্ট করুন
- সব ডকুমেন্টের ফটোকপি ও মূল কপি প্রস্তুত রাখুন
- অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ুন
উপসংহার:
ঢাবির ভর্তিতে বর্তমানে মোট ৮% আসন কোটার জন্য সংরক্ষিত। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, হরিজন-দলিত ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা এই সুবিধা পেতে পারেন। যোগ্য হলে সঠিক ডকুমেন্টসহ আবেদন করুন এবং নিয়ম মেনে চলুন।
আপনি কোনো কোটায় আবেদন করার কথা ভাবছেন? কমেন্টে জানান। আরও নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারি।
সঠিক তথ্য জেনে কোটা সুবিধা কাজে লাগান! ✨

































